ক্ষমা নিয়ে ইসলামিক উক্তি পর্ব-৪ - ফিরে এসো

ক্ষমা নিয়ে ইসলামিক উক্তি পর্ব-৪

ক্ষমা নিয়ে ইসলামিক উক্তি পর্ব-৪ 

আপনার অভিজ্ঞতা যতই তিক্ত হোক না কেন, অন্যের সাথে সেরূপ ব্যবহার করবেন না, যেরূপ ব্যবহার তারা আপনার সাথে করেছে। তাদেরকে তাদের মতো থাকতে দেন কিংবা তাদের থেকে সরে আসুন। উওম হওয়াকে বেছে নেন। 

কেউ যদি এমন কিছু বলে কিংবা এমন কিছু করে, যা আপনাকে দুঃখিত করে, তবে তা অত্যধিক গুরুত্বের সাথে নেবেন না। এটা সহজ নয়, কিন্তু মনের শন্তির জন্যই আপনাকে এটা (করতে হবে)। তাই কেবল ক্ষমা করুন।

যখন খারাপ কিছু ঘটে, তখন আল্লাহকে ধন্যবাদ দিতে এবং সামনে এগিয়ে যেতে শিখুন। আপনার মনে বারবার সেটার পুনরাবৃওি ঘটাবেন না। (দুঃখকে) সারিয়ে তোলো শুরু করুন এবং সামনে এগিয়ে চলুন।

অন্যের জন্য কখনো অনিষ্ট কামনা করবেন না। তারা হয়তো আপনাকে কষ্ট দিয়েছে, তথাপি (অনিষ্ট কামনা করার) বদলে তাদের জন্য দু’আ করুন এবং তাদের আরোগ্য কামনা করুন। প্রকৃতপক্ষে, সত্য হচ্ছে এগুলো তাদের জন্য সব থেকে বেশি দরকারী। 

যখন কেউ আপনাকে আঘাত করে, তখন পাল্টা আঘাত হানবেন না। বরং নিজেকে বলুন যে, আপনি কখনো ওই নিচু পর্যায়ের (লোকদের কাতারে) নামবেন না এবং ওই একই কাজটি অন্য কারো সাথে করবেন না। সর্বোপরি, অন্যকে আঘাত করার ঘৃণ্য মানসিকতা নিয়ে বাস করাকে কখনো বেছে নেবেন না। 

যারা আপনার সুখকে ধ্বংস করতে চায়, বস্তুত তারা আপনার প্রতি হিংসায় বুদ হয়ে আছে। তাদের জন্য দু’আ করুন।কেননা, সত্য হচ্ছে: তারা তাদের নিজেদের জীবন নিয়ে (ভীষণ) অসুখী। 

যে ব্যাক্তি আপনার সাথে অন্যায় করেছে, তাকে ক্ষমা করতে সক্ষম হওয়া এবং তাকে পুনরায় বিশ্বাস করতে আরম্ভ করা কখনো এক নয়। আপনি তাকে পুনরায় বিশ্বাস করতে প্রস্তুত নন বলে নিজের মাঝে অপরাধবোধ সৃষ্টি করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের সুযোগ অন্যের হাতে তুলে দেবেন না। সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে থেকে হেদায়েত চান। কেননা, তিনিই সর্বজ্ঞ।

আপনি যতই খারাপ ব্যবহারের শিকার হন না কেন, তা উপেক্ষা করুন। নতুন একটি দিনকে আলিঙ্গনের প্রস্তুতি নিয়ে জেগে ওঠুন। কেননা, প্রতিটি দিনই একটি পরীক্ষা। আপনার রাগকে (আপনার) পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে দেবেন না। 

যারা অন্যায়ভাবে আপনার সমালোচনা করে, আপনাকে ভুলভাবে মূল্যায়ন করে এবং আঘাত দেওয়ার মতো কথাবার্তা বলে, তাদের জন্য দু’আ করুন। তাদের সাথে তাদের অনুরূপ কাজটি করবেন না। বরং দয়ার সাথে (আপনি আপনার) প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করুন। 

যে ব্যক্তি আপনার সাথে অন্যায় করেছে, তাকে ক্ষমা করা যখন আপনার জন্য সবচেয়ে কঠিন বলে প্রতিয়মান হবে, তখনই আপনার উচিত হবে এই কাজটি করার সত্যিকারের চেষ্টা চালানো। এই কাজটি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে এতটাই পছন্দনীয় হতে পারে যে, তা আপনাকে বিচার দিবসে (সোজা) জান্নাতে পৌঁছে দেবে। 

যারা আপনাকে কষ্ট দিয়েছেন, তাদেরকে আপনি ঠিক ততটা কষ্ট দিতে চাইলেও তাদের অনিষ্ট কামনা করবেন না। তাদের (আত্মিক) আরোগ্য কামনা করুন। তাদের জন্য ভালোবাসা কামনা করুন। (তাদের থেকে) সরে আসুন। সর্বশক্তিমান আল্লাহ সর্বজ্ঞ। 

আপনার যদি ভালো অন্তর থাকে, তবে আপনি আঘাতপ্রাপ্ত হবেনই। এটাই বাস্তবতা। অন্যরা যাই করুক না কেন, তারা জানবে যে, আপনি ক্ষমা করে দেবেন। তথাপি আপনি আপনার অন্তরে আঘাত পুরে রাখবেন না।

ক্ষমা কেবল অন্যের সাথে সম্পৃক্ত নয়। বরং এটা আমাদের নিজেদের আত্মোন্নয়নের সাথে জড়িত। ভালোবাসা এবং ক্ষমা কখনো বিচ্ছিন্ন হবার নয়। সর্বশক্তিমান আল্লাহ যেভাবে চান, আমরা যদি সেভাবে চলার পথকে বেছে নিই, তবে ক্ষমাকে কখনোই উপেক্ষা করা যাবে না। কেননা, আমরা সবাই পাপ করি, তাই আমাদের উচিত অন্যকে ক্ষমা করা।

ঘৃণাকে জমিয়ে রাখবেন না। এগুলোকে চলে যেতে দেন এবং দয়ালু হন। মনে রাখবেন, আপনি অন্যের প্রতি যেরূপ দয়া  দেখাবেন, সর্বশক্তিমান আল্লাহও আপনার  সাথে সেরূপ দয়া দেখাবেন। 

আপনার অন্তরকে কখনো পাষাণ হতে দেবেন না। কেউ শুধু আপনার বিশ্বাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে তার মানে এই নয় যে, আপনি আর কাউকে বিশ্বাস করতে পারবেন না। এটা থেকে শিক্ষা নেন। আপনি বেড়ে উঠবেনই।

ক্ষমা করতে শিখুন এবং যারা আপনার সাথে অন্যায় করেছে, তাদেরকে ‍উপেক্ষা করুন, তবেই আলোকিত একটি অন্তরে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্বাধীনতা আপনি লাভ করবেন। শন্তি ও সুখকে বিজয়ী হতে দেন। 

অন্যরা যখন আপনাকে হতাশ করে এবং আপনার প্রত্যাশাকে পূর্ণ করে না, তখন নিরাশ হবেন না। তাদের জন্য দু’আ করুন। মানুষ হিমেবে আমরা কেউই নিখুঁত নই। কেবল সর্বশক্তিমান আল্লাহই নিখুঁত। 

আপনার আমিত্ব বা ইগোকে দাফন করুন। আমিত্বকে (আপনার জীবনের) পথ থেকে সরিয়ে সহানুভূতিশীল  হতে শিখুন। অন্তর দিয়ে বাঁচুন। পরিশেষে আপনি আরও সুখি একজন মানুষে পরিণত হবেন। 

সমস্যা হচ্ছে আমরা অন্যের ভুলগুলো এতটা দ্রুত ধরে ফেলি যে, আমরা তাদের ভালো দিকগুলো উপেক্ষা করি। আমরা যদি চাই আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করেন, তবে অন্যদের ক্ষমা করুন। 

যতটা দীর্ঘক্ষণ আপনি রাগ ‍পুষে রাখবেন, তা তত বেশি ক্ষতি ও অনিষ্ট সাধন করবে। এসব অসুস্থ অনুভূতিকে আঁকড়ে ধরা বন্ধ করুন। আপনার অন্তরে বিষক্রিয়া সৃষ্টির সুযোগ এগুলোকে দেবেন না। 

মানুষ আপনার প্রতি যত ধরনের ঘৃণা ও গালাগালি ছুড়ে দিক না কেন, দায়ালু হন। নিজেকে তাদের কাতারে নামিয়ে আনবেন না। তাদেরকে সোজা করার দায়িত্ব সর্বশক্তিমান আল্লাহর হাতে তুলে দেন। তিনিই সর্বজ্ঞ। 

সর্বশক্তিমান আল্লাহ! যারা আমাদের সাথে অন্যায় করেছে, আমরা যেন তাদেরকে ঘৃণা না করি। আমরা যেন তাদেরকে ক্ষমা করে দিই এবং বাকিটা যেন আপনার হাতে তুলে দিই। কেননা, আপনিই সর্বাধিক ন্যায়পরায়ণ। আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক। 

আপনার শান্তিকে বিনষ্ট করতে কেউ কিছু না কিছু করতে চাইবে। তাদের ওই তুচ্ছ নাটক যেন আপনাকে অশন্তিতে না ফেলে। এগুলোকে এত গুরুত্ব না দিয়ে উপেক্ষা করুন। 

মাঝে মাঝে আপনি জানেন যে, আপনিই সঠিক। বস্তুত সন্দেহাতীতভাবে এটা প্রতিয়ামান হয় যে, আপনিই সঠিক; কিন্তু শান্তি বাজায় রাখার স্বার্থে আপনি (চুপ থেকে) পরিস্থিতি সামাল দিতে শিখেছেন। 

অন্যের ভুলগুলোর দিকে আঙ্গুল তোলা বন্ধ করুন। আমরা সবাই ভুল করি। ভুলগুলোর ‍দিকে চোখ পড়া সহজ। এমন একটা ধৈর্যশীল অন্তর গড়ে তুলুন, যা শ্রবন করে। 

মানুষ যখন আপনার সাথে খারাপ আচরণ করে, তখন এর জন্য নিজেকে দায়ি করবেন না। মনে রাখবেন, ওই লোকগুলোই  সামস্যায় আছে আপনি নন। তাই তাদের জন্য দু’আ করুন।

আপনি  যাদি পেছনে তাকাতে থাকেন, আক্ষেপের এক জীবন অতিবাহিত করতে থাকেন,  তবে কিভাবে আপনি সামনে এগিয়ে যাবার এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহ আপনার জন্য যা কিছু জমা রেখেছেন, তা আলিঙ্গনের আশা করেন?

যদি অতীতের শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকতে না চান, তবে অন্তরে যেসব ঘৃণাকে পুষে রেখেছেন, সেগুলো মিটিয়ে  দেন। এই জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। তই শুধু ্‌আনন্দে বাঁচুন। 

কারো সাথে আপনার বাদানুবাদ হয়েছে বলে জীবন তো আর থেমে থাকে না। আপনার অন্তরকে আক্রান্ত করার সুযোগ এটাই দেবেন না। সহনশীল হন। বাঁচুন এবং বাঁচুতে দেন। 

সর্বশক্তিমান আল্লাহ যা জানেন, আমরা তা জানি না বলে মাঝে মাঝে জীবনকে পক্ষপাতদুষ্ট ভবি। যারা আপনাকে আঘাত দিয়েছে, তাদেরকে আঘাত দেবেন না। এগুলোর ঊর্ধ্বে উঠুন। পরিস্থিতি যেমন আছে, তেমন থাকতে দেন। 

আপনার দেখা খারাপ (জিনিসগুলো) যেন আপনাকে আরও তিক্ত না করে তোলে। অন্তরে আশা. দয়া এবং মর্যাদা বয়ে বেড়ান। নেতিবাচকভাবে আপনাকে প্রভাবিত করার সুযোগ অন্যদের দেবেন না। 

আপনার মাঝে ঘৃণাকে জন্মাতে দেবেন না, অন্যথায় আপনার জীবনের সবকিছু এতে আক্রান্ত হবে। এটা আপনার মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটাবে এবং আপনাকে রাগাম্বিত করবে। প্রায়শই এর সমাপ্তি ঘটে আক্ষেপের মধ্য দিয়ে। 

ঘৃণা আঁকড়ে রাখবেন না। কেননা, এটা আপনাকে নুইয়ে দেয়। এ ধরনের যাবতীয় অসুস্থ অনুভূতি এবং যারা আপনার আশেপাশে নাটক সৃষ্টি করে, তাদের থেকে নিজেকে মুক্ত করুন। আর দয়াকেই বেছে নন। 

জীবনে যখন অন্যায্য জিনিস ঘটে, তখন আঘাতকে আঁকড়ে ধরে থাকার নীতিকে বেছে নেবেন না। এটাকে উপেক্ষা করুন এবং মানুষকে ক্ষমা করুন। সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করুন এবং তাঁকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে দেন। 

ক্ষমা একবার করার মতো জিনিস নয়।  এটা এমন এক জিনিস, যা আপনি বারবার করেন, অল্প অল্প করে করেন, যতক্ষণ না আপনি পুরোপুরি আরোগ্য হচ্ছেন এবং আঘাত থেকে পুরোপুরি মুক্ত হচ্ছেন। 

অন্তর যা মুছে দিতে পারে না, মন তা বারবার স্মৃতিপটে নিয়ে আসে। তাই আপনি আপনার অন্তরে কি সংরক্ষণ করেনে, সে ব্যাপারে সতর্ক হন। আপন সৃষ্টিকর্তার স্মরণ (যিকির) দ্বারা প্রতিনিয়ত অন্তরকে পরিশুদ্ধ করুন।

অন্যের সবচেয়ে খারাপ অংশটুকুতে দৃষ্টি দেবেন না এবং তাদের থেকে এই আশা করবেন না যে, তারা আপনার সেরা দিকটুকু দেখবে। অন্যকে মূল্যায়ন করবেন না এবং এই আশা করবেন না যে, তারা আপনার পাশে দাঁড়াবে। জীবন এরূপ নয়।

কেউ আপনার সাথে অন্যায় করবে এবং বিপদের সময় আপনার দিকে ফিরেও তাকাবে না। কিভাবে তারা এতটা হৃদয়হীন হতে পারে, এটা আপনাকে বিব্রত করতে পারে। কিন্তু সর্বশক্তিমান আল্লাহকে ধন্যবাদ দেন। কেননা, অন্ততপক্ষে আপনার তো একটি হৃদয় রয়েছে। 

যখন কেউ আপনার সমালোচনা করে কিংবা আপনার সাথে ভিন্নমত পোষণ করে, তবে তা থেকে উদ্ভূত ঘৃণা যেন আপনার অন্তরে বাসা না বাঁধে। এ ধরনের অনুভূতি থেকে মুক্তি নেন এবং এটাকে বেড়ে উঠতে দেবেন না।

আপনি যাদের সাথে সাক্ষাত করেন, তাদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারকারী একজনে পরিণত। আপনার ভালোবাসার মানুষগুলোকে বলে দেন যে, আপনি তাদের ভালোবসেন। যারা আপনাকে আঘাত দেয়, তাদের ক্ষমা করুন। এটাই আপনার অন্তরের জন্য সহজতর।

পরিস্থিতি সব সময়ই বদলে যায়। কিছুই স্থায়ী হয় না। তাই (কারো) আপরাধ স্বীকারের জন্য অপেক্ষা করবেন না। ক্ষমা করে দেন। আপনি যা পারেন, তা দিয়ে দেন। চারদিকে আনন্দ ছাড়িয়ে দেন। যদি কিছু করতে চান, তবে চেষ্টা চালান।

 আপনার অন্তরে যা আছে, ব্যক্তি হিসেবে আপনি কেমন-তা ফুটিয়ে তোলে। অন্যরা আপনাকে মূল্যায়ন করুন, ভুল বঝুক এবং অপবাদ দিক। গৌরবের সাথে এসবের ঊর্ধ্বে ওঠুন।

অন্যের সীমবদ্ধতার কারণে আপনি খব দ্রুতই তাদের ব্যাপারে হাল ছেড়ে দেন। অথচ প্রতিবার ভুল করা সত্ত্বেও সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাদের প্রতি সর্বোচ্চ দয়াময়। 

আমরা অন্যের সাথে দ্বিমত পোষাণ করতে পারি। এটা স্বাভাবিক। আমরা মানুষ। কিন্তু তা ঘৃণা-বিদ্বেষের কোনো কারণ নয়। আমাদের অনুভূতিগুলো আমাদের প্রতিচ্ছবি, অন্যদের নয়। 

আমরা কেন অন্যের নিন্দা করি, যখন আমরা ঠিক ওই ভুলগুলো-ই করি? মানুষকে মূল্যায়ন করাটা বস্তুত মুনাফিকি। (এমনটি না করে) বরং আল্লাহর নিকটবর্তী হতে কঠোর পরিশ্রম করুন।

(আমরা) প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে আঘাত পেয়ে থাকি। বাস্তবতা হচ্ছে: আমরা (কবে, কখন ও কোথয় আঘাত পেয়েছি এবং পাবে-তা) কখনো জানবো না। কেবল সর্বশক্তিমান আল্লহই তা জানেন। তাই দয়ালু ও সহানুভূতিশীল হন। 

অন্যকে ক্ষমা করার প্রতিদান সম্পর্কে আপনি যদি জানতেন, তবে আপনি সানন্দে ক্ষমা করে যেতেন। ক্ষমা করুন; তিনি আপনাকে ক্ষমা করবেন। (পাশাপাশি) তিনি আপনাকে পুরস্কৃত করবেন এবং আপনাকে ভালোবাসবেন। 

কৃত্রিমতা, বহিরাবরণ, বাহ্যিক সৌন্দর্য, গায়ের রং, বস্তুগত ও পছন্দনীয় জিনিস, এসবের ঊর্ধ্বে ওঠে (বাস্তবতা) দেখতে শিখুন। সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাদের অন্তরকে সকল ধরনের তিক্ততা, বিদ্বেষ ও হিংসা থেকে মুক্ত করুন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অন্যদেরকে আমাদেরকে প্রতিবেশী হিসেবে আলিঙ্গন করতে সহায়তা করুন। 

আপনি যা করেন, তা-তে শান্তি খুঁজে পাবার চেষ্টা করুন। আপনি তা করতে পারেন, যদি সর্বশক্তিমান আল্লাহকে আপনি আপনার অগ্রাধিকারে পরিাণত করেন। মার্জিত ও দয়ালু হন। ক্ষমা করুন এবং অনুশোচনা করুন। আল্লাহ যা ভালোবাসেন, তা-র সবকিছু করুন। 

যখন আপনি অন্যের সাথে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন, তখন খুঁটিনাটি বিষয়গুলো খুব দ্রুতই বেরিয়ে আসে। সম্ভবত আপনি স্বস্থির ঘুম ঘুমাতে পারবেন না, এটা জেনে যে, আপনি কারো সাথে অন্যায় করেছেন। 

অতীত থেকে শিখুন, কিন্তু অতীতকে সেখানেই রেখে আসুন। বারবারও পেছনে ফিরে যাবেন না। এটা আপনার  ভবিষ্যতকে ধ্বংস করে দেবে। সর্বশক্তিমান আল্লাহ আজ আপনাকে যা দিয়েছেন, তা নিয়েই বাঁচুন। 

আপনি খারাপ লোক, তা কখনো ভাববেন না। আপনার মাথাতে এমন চিন্তা প্রবেশ করানোর সুযোগ শয়তানকে দেবেন না। প্রায় প্রতিটি দিনই আমরা ভুল করি। তাই শুধু উওম কাজ করতে চেষ্টা করুন। 

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.